শ্বাসক্রিয়া জীবন সচল রাখে। যদিও ৯৫ ভাগ মানুষই সঠিক প্রক্রিয়ায় এর ব্যবহার জানেন না। এতে খাবার হজমে সমস্যা ও বিভিন্ন রোগব্যাধির সৃষ্টি হয়। সঠিক নিয়মে গভীর দম চর্চায় শরীর ও মনের ব্যায়াম হয়।
যাপিত জীবনে টেনশন বা মানসিক চাপ হয়। এর প্রভাব শুধু মনের উপরই নয়, শরীরে উপরেও পড়ে। ফলে একসময় শরীরের কোষগুলো প্রাণবন্ততা হারিয়ে ফেলে। নিজেকে চাঙ্গা রাখতে প্রাচীনকাল থেকেই গভীর দম চর্চার রীতি চলে আসছে।
গভীর দম চর্চা প্রাণায়াম বা প্রাণা নামেও পরিচিত। প্রাণা চর্চা করে দেহকে সহজেই সুস্থ ও প্রাণবন্ত করে তোলা যায়। সঠিক নিয়মে নিয়মিত চর্চা করলে দেহ থাকবে সতেজ, মন হবে প্রফুল্ল।
এ সম্পর্কে কোয়ান্টাম হার্টক্লাব ও কোয়ান্টাম ব্যায়ামের মেডিকেল কাউন্সিলর ডা. আতাউর রহমান বলেন, “দেহের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ফুসফুসে গভীর দম চর্চার প্রভাব পড়ে। দম নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রকৃতি থেকে অক্সিজেন বা জীবনীশক্তি ফুসফুসের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে। এ সময় ফুসফুসের প্রসারণ ঘটে, আর দম ছাড়তে ছাড়তে শরীর থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড বেরিয়ে যায়। এভাবে ফুসফুসের প্রসারণ ও সংকোচন হয়।”
“প্রতিটি মানুষের শরীরে ফুসফুস এই কাজটি জন্ম থেকেই করে যাচ্ছে। এতে স্বাভাবিকভাবে জীবন চলে। শরীরে রক্তসঞ্চালন সবসময় ভালো রাখতে দরকার নিয়মিত সঠিকভাবে দম চর্চা।” বললেন ডা. আতাউর।
এ জন্য বুক ভরে দম নেওয়ার চর্চা করতে হবে। এতে পেট ও পাকস্থলির ব্যায়াম হয়। যখন গভীরভাবে দম চর্চা করা হয় তখন ফুসফুস ভালোভাবে কাজ করে। পেট ও পাকস্থলিতে রক্তচলাচল স্বাভাবিক হয়। খাবার হজমজনিত সমস্যাও দ্রুত কমে আসবে। এর থেকে পেতে পারেন সহজ স্বতঃস্ফূর্ততায় প্রাকৃতিক নিরাময়।.... বিস্তারিত